জেনে নিন SEO এর ১০টি সেরা অনুশীলন এবং নিজের ব্লগ বা ওয়েবসাইট এ নিয়ে আসুন প্রচুর অর্গানিক ট্রাফিক.
আমরা অনেকেই নিজের ব্লগ বা ওয়েবসাইট ডিজাইন এ এতো মন দিয়ে থাকি যে SEO করার কথা ভুলেই যাই. ফলে সাইট যথেষ্ট ভিসিটর পায় না এবং ব্লগার হতাশায় ভুগেন. তাই এবার জেনে নিন কিভাবে আপনার ব্লগে ভিজিটর নিয়ে আসবেন মাত্র ১০টি SEO অনুশীলন এর মাধ্যমেই।
টাইটেল ট্যাগ ও ডোমেইন নেম সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজড অর্থাত কীওয়ার্ড নির্ভর হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একটি ওয়েবসাইট এর কনটেন্ট এ কীওয়ার্ড থাকার চাইতে কীওয়ার্ড নির্ভর টাইটেল সেই ওয়েবসাইট এর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন লেভেল ১০ গুন বাড়িয়ে তোলে।
পোস্ট এর লিংক এ শুধু কীওয়ার্ড এর পরিবর্তে কীওয়ার্ড ফ্রেজ ব্যবহার করুন। যেমন:
যদি কীওয়ার্ড হয়ে থাকে SEO তবে পোস্টের লিংক এ Top Ten SEO Tips and Tricks অথবা Best SEO Tips and Tricks এ জাতীয় কীওয়ার্ড ফ্রেজ ব্যবহার করুন এবং স্টপ ওয়ার্ড বর্জন করুন।
একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর ডেসক্রিপশন দেখেই ভিসিটর সেই ব্লগ বা ওয়েবসাইট ভিজিট করে থাকে। তাই চেষ্টা করুন ডেসক্রিপশন যাতে আপনার ওয়েবসাইট এর সার্ভিস বা মূল বিষয়বস্তুকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে. ডেসক্রিপশন ট্যাগ এ কীওয়ার্ড স্টাফিং করা থেকে বিরত থাকুন।
H1-H3 ট্যাগ গুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করুন, কারণ সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে এই ট্যাগগুলোর গুরুত্ব অনেক। তাই এগুলোতে কীওয়ার্ড ফ্রেজ ব্যবহার করে এর গুরুত্ব আরো বাড়িয়ে তুলুন। একটি ওয়েবসাইট এ কেবল মাত্র একটি H1 ট্যাগ ব্যবহার করুন, H2 ট্যাগ ব্যবহারে কৃপনতা বজায় রাখুন এবং কন্টেন্ট এর ক্যাপশন এ H3 ট্যাগ ব্যবহার করুন।
কীওয়ার্ড ডেন্সিটি রেট এর মাধ্যমে জানা যায় যে একটি ওয়েবসাইট এ এর কন্টেন্ট এর বিপরীতে কি পরিমানে কীওয়ার্ড ব্যবহার করা হয়েছে। যদি এই রেট্ অতিরিক্ত হয়ে যায় তবে সার্চ ইঞ্জিন এর ক্রলার সেই ওয়েবসাইট কে স্পামি হিসেবে ধরে নেয়. তাই অতিরিক্ত কীওয়ার্ড ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন এর ক্রলার ই ওয়েবপেজ এর প্রথম ও শেষ পেরাতে কীওয়ার্ড খুঁজে থাকে, যদি এই দুই জায়গাতে কীওয়ার্ড থাকে তবে সার্চ ইঞ্জিন এর ক্রলার সেই ওয়েবপেজ কে ওই কীওয়ার্ড এর জন্য যোগ্য বলে বিবেচনা করবে এবং সার্চ রেজাল্ট পেজ এ স্থান দিবে। তাই প্রথম ও শেষ পেরাতে অবশ্যই কীওয়ার্ড বা কীওয়ার্ড ফ্রেজ ব্যবহার করুন।
ইন্টারনাল লিংক বিল্ডিং এমন হতে হবে যাতে ভিসিটর ও সার্চ ইঞ্জিন এর ক্রলার সহজেই প্রতিটি ওয়েবপেজ স্বাচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পারে। তাই কেবল একটি মাত্র ন্যাভিগেশন মেনুবার ব্যবহার করুন, রোবট ডট টেক্সট ফাইল ব্যবহার এ সতর্ক থাকুন এবং কোয়ালিটি এংকর টেক্সট ব্যবহার করুন।
সার্চ ইঞ্জিন শুধু মাত্র টেক্সট পড়তে পারে কিন্তু কোন প্রকার ইমেজ পড়তে পারে না। তবে ইমেজ অপটিমাইজেশন এর মাধ্যমে সেই ইমেজ কে সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে অর্থবহ করে তোলা যায়। কোন ইমেজ অপটিমাইজ করতে সেই ইমেজ এর Alt ট্যাগে কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
ওয়েবসাইট এর মান সম্মত কনটেন্ট যে কোন ভিজিটরকে সেই ওয়েবসাইট এর প্রতি আগ্রহী করে তোলে, ফলে রিটার্নিং ভিজিটর ও সোশ্যাল মিডিয়া এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি পায়। এমন কি মান সম্মত কনটেন্ট নিজেই নিজেই একটি ওয়েবসাইট এর সম্পূর্ণ SEO অপটিমাইজেশন এ প্রভাব বিস্তার করে। তাই SEO এর জন্য মান সম্মত কনটেন্ট তৈরী করা অত্যাবশ্যক।
বিভিন্ন হাই পেজ রেঙ্ক এর ফোরাম, ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে কোয়ালিটি ব্যাক লিঙ্কিং এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট কে সার্চ রেঙ্কিং এ আরো ভালো অবস্থানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। তবে অবশ্যই উপরের প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করার পরই কোয়ালিটি ব্যাক লিঙ্কিং করুন।
আশা করি উপরে বর্ণিত SEO এর সেরা ১০টি অনুশীলন সঠিকভাবে অনুসরণ করলে যে কোন ব্লগ বা ওয়েবসাইট কে সার্চ রেঙ্কিং এর শীর্ষ ১০ এ নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
আমরা অনেকেই নিজের ব্লগ বা ওয়েবসাইট ডিজাইন এ এতো মন দিয়ে থাকি যে SEO করার কথা ভুলেই যাই. ফলে সাইট যথেষ্ট ভিসিটর পায় না এবং ব্লগার হতাশায় ভুগেন. তাই এবার জেনে নিন কিভাবে আপনার ব্লগে ভিজিটর নিয়ে আসবেন মাত্র ১০টি SEO অনুশীলন এর মাধ্যমেই।
![]() |
| Image : Top 10 SEO Tips |
SEO এর সেরা ১০টি অনুশীলন:
১. টাইটেল ও ডোমেইন নেম এ কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন:
টাইটেল ট্যাগ ও ডোমেইন নেম সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজড অর্থাত কীওয়ার্ড নির্ভর হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একটি ওয়েবসাইট এর কনটেন্ট এ কীওয়ার্ড থাকার চাইতে কীওয়ার্ড নির্ভর টাইটেল সেই ওয়েবসাইট এর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন লেভেল ১০ গুন বাড়িয়ে তোলে।
২. প্রতিটি পোস্টের লিংক এ কীওয়ার্ড ফ্রেজ ব্যবহার করুন:
পোস্ট এর লিংক এ শুধু কীওয়ার্ড এর পরিবর্তে কীওয়ার্ড ফ্রেজ ব্যবহার করুন। যেমন:
যদি কীওয়ার্ড হয়ে থাকে SEO তবে পোস্টের লিংক এ Top Ten SEO Tips and Tricks অথবা Best SEO Tips and Tricks এ জাতীয় কীওয়ার্ড ফ্রেজ ব্যবহার করুন এবং স্টপ ওয়ার্ড বর্জন করুন।
৩. মানানসই ডেসক্রিপশন ট্যাগ লিখুন:
একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট এর ডেসক্রিপশন দেখেই ভিসিটর সেই ব্লগ বা ওয়েবসাইট ভিজিট করে থাকে। তাই চেষ্টা করুন ডেসক্রিপশন যাতে আপনার ওয়েবসাইট এর সার্ভিস বা মূল বিষয়বস্তুকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে. ডেসক্রিপশন ট্যাগ এ কীওয়ার্ড স্টাফিং করা থেকে বিরত থাকুন।
৪. হেডার ট্যাগ সঠিকভাবে ব্যবহার করুন:
H1-H3 ট্যাগ গুলো সঠিকভাবে ব্যবহার করুন, কারণ সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে এই ট্যাগগুলোর গুরুত্ব অনেক। তাই এগুলোতে কীওয়ার্ড ফ্রেজ ব্যবহার করে এর গুরুত্ব আরো বাড়িয়ে তুলুন। একটি ওয়েবসাইট এ কেবল মাত্র একটি H1 ট্যাগ ব্যবহার করুন, H2 ট্যাগ ব্যবহারে কৃপনতা বজায় রাখুন এবং কন্টেন্ট এর ক্যাপশন এ H3 ট্যাগ ব্যবহার করুন।
৫. কীওয়ার্ড ডেন্সিটি রেট বজায় রাখুন:
কীওয়ার্ড ডেন্সিটি রেট এর মাধ্যমে জানা যায় যে একটি ওয়েবসাইট এ এর কন্টেন্ট এর বিপরীতে কি পরিমানে কীওয়ার্ড ব্যবহার করা হয়েছে। যদি এই রেট্ অতিরিক্ত হয়ে যায় তবে সার্চ ইঞ্জিন এর ক্রলার সেই ওয়েবসাইট কে স্পামি হিসেবে ধরে নেয়. তাই অতিরিক্ত কীওয়ার্ড ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
৬. প্রথম ও শেষ পেরাতে কীওয়ার্ড সংযোজন করুন:
প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন এর ক্রলার ই ওয়েবপেজ এর প্রথম ও শেষ পেরাতে কীওয়ার্ড খুঁজে থাকে, যদি এই দুই জায়গাতে কীওয়ার্ড থাকে তবে সার্চ ইঞ্জিন এর ক্রলার সেই ওয়েবপেজ কে ওই কীওয়ার্ড এর জন্য যোগ্য বলে বিবেচনা করবে এবং সার্চ রেজাল্ট পেজ এ স্থান দিবে। তাই প্রথম ও শেষ পেরাতে অবশ্যই কীওয়ার্ড বা কীওয়ার্ড ফ্রেজ ব্যবহার করুন।
৭. ইন্টারনাল লিংক বিল্ডিং এ মনোযোগ দিন:
ইন্টারনাল লিংক বিল্ডিং এমন হতে হবে যাতে ভিসিটর ও সার্চ ইঞ্জিন এর ক্রলার সহজেই প্রতিটি ওয়েবপেজ স্বাচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পারে। তাই কেবল একটি মাত্র ন্যাভিগেশন মেনুবার ব্যবহার করুন, রোবট ডট টেক্সট ফাইল ব্যবহার এ সতর্ক থাকুন এবং কোয়ালিটি এংকর টেক্সট ব্যবহার করুন।
৮. ইমেজ অপটিমাইজেশন করুন:
সার্চ ইঞ্জিন শুধু মাত্র টেক্সট পড়তে পারে কিন্তু কোন প্রকার ইমেজ পড়তে পারে না। তবে ইমেজ অপটিমাইজেশন এর মাধ্যমে সেই ইমেজ কে সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে অর্থবহ করে তোলা যায়। কোন ইমেজ অপটিমাইজ করতে সেই ইমেজ এর Alt ট্যাগে কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
৯. মান সম্মত কন্টেন্ট তৈরী করুন:
ওয়েবসাইট এর মান সম্মত কনটেন্ট যে কোন ভিজিটরকে সেই ওয়েবসাইট এর প্রতি আগ্রহী করে তোলে, ফলে রিটার্নিং ভিজিটর ও সোশ্যাল মিডিয়া এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি পায়। এমন কি মান সম্মত কনটেন্ট নিজেই নিজেই একটি ওয়েবসাইট এর সম্পূর্ণ SEO অপটিমাইজেশন এ প্রভাব বিস্তার করে। তাই SEO এর জন্য মান সম্মত কনটেন্ট তৈরী করা অত্যাবশ্যক।
১০. কোয়ালিটি ব্যাক লিংক তৈরী করুন:
বিভিন্ন হাই পেজ রেঙ্ক এর ফোরাম, ওয়েবসাইট বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে কোয়ালিটি ব্যাক লিঙ্কিং এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট কে সার্চ রেঙ্কিং এ আরো ভালো অবস্থানে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। তবে অবশ্যই উপরের প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করার পরই কোয়ালিটি ব্যাক লিঙ্কিং করুন।
আশা করি উপরে বর্ণিত SEO এর সেরা ১০টি অনুশীলন সঠিকভাবে অনুসরণ করলে যে কোন ব্লগ বা ওয়েবসাইট কে সার্চ রেঙ্কিং এর শীর্ষ ১০ এ নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
Sign up here with your email

কমেন্ট এর জন্য ধন্যবাদ ConversionConversion EmoticonEmoticon